এ আমি কি দেখলাম !

মানুষের ভাগ্য কখন কিভাবে পরিবর্তন হয়ে যায় তা কেউ বলে উঠতে পারবেনা। কেউ ধনী থেকে গরিব হচ্ছে আবার কেউ গরীব থেকেই হঠাৎ করে ধনী হচ্ছে। আর হঠাৎ করে গরিব থেকে ধনী হওয়ার গল্পের পেছনের কারন গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি কারণ হলো আকস্মিকভাবে গুপ্তধন খুঁজে পাওয়া।

হ্যাঁ বন্ধুরা ঠিকই পড়ছেন আমাদের পৃথিবীতে অনেকেই আছেন যারা হঠাৎ করে গুপ্তধন খুঁজে পেতে গরিব থেকে ধনী হয়ে গিয়েছে। এমনকি এসব মানুষেরা গুপ্তধন খুঁজে পেয়েছে এমন কিছু জায়গায় যা আপনারা কখনো কল্পনাও করতে পারবেন না ।

আজকের পোষ্টে আমরা পড়তে চলেছি এমনই কিছু খুঁজে পাওয়া গুপ্তধন যার জায়গা সম্পর্কে আপনারা পড়লে অবাক হয়ে যাবেন। স্বাগতম আপনাকে আরেকটি নতুন এপিসোডে।

টয়লেট

আপনার টয়লেট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার কাজ করতে চাইবো না। কেননা এটা খুবই দুর্গন্ধময় একটি জায়গা। কিন্তু বন্ধুরা জানলে অবাক হবেন যে টয়লেটে গুপ্তধনের খোঁজ মিলেছিল। টয়লেটের পাইপ ঠিক করার কাজে কাউকে খুঁজে না পেয়ে
লফসিআনো তার দুই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে টয়লেটের পাইপ ঠিক করার কাজ নেমে পড়েন।

টয়লেটে মেজে কিছুক্ষণ খোদাই করে দেখতে পান পুরনো কিছু জিনিস। পরবর্তীতে তারা সেখান থেকে উঠে আসে তার একবছর পরে সেই অঞ্চলের বনে আগুন লেগে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পরবর্তীতে আরকোলজিট সেই স্থানে খনন করে শত, শত বছরের পুরনো রোমান সাম্রাজ্যের বহুমূল্যবান মূর্তি এবং সেই সময় প্রচলিত মুদ্রা খুঁজে পান।

যা গভারমেন্ট মিউজিয়ামে রেখে দেয়। তার কিছুদিন পর লফসিআনো সেই স্থান খনন করে আরো কিছু সেই সময় প্রচলিত বহু মূল্যবান মুদ্রা খুঁজে পান। যা দিয়ে পরবর্তীতে তিনি একটি মিউজিয়াম তৈরি করেন যা সত্যিই অবাক করার মত।

আরও পড়ুনঃ ক্লিনার থেকে কোটিপতি

গোল্ড ইন্টেক

গোল্ড ইন্টেক নামের লোকের একটি ট্যাংক রিপিইয়ার কোম্পানি ছিলো। সে বিভিন্ন পুরনো ট্যাংক কিনে রিপিইয়ার করে বিক্রি করতো। একদিন সেই ব্যক্তি ইবে থেকে 42 হাজার ডলার দিয়ে একটি ট্যাংক কিনে নেন। পরবর্তীতে রিপেয়ার করার সময় ট্যাংক ভেতরে 50 লক্ষ টাকার সোনার তরী বার খুঁজে পান। যা দেখে নিক এবং তার সঙ্গীরা ভয় পেয়ে যান। আর তারা এই সোনার বারগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে দেন।

পিয়ানো 

একটি ছেলে অজ্ঞতাবশত প্রতিদিন একটি করে সোনার মুদ্রা মেকর গ্রাহাম এর পিয়ানো তে লুকিয়ে রাখত। কিন্তু সে কথা মেকর গ্রাহাম যানতো না।পেয়ানোটি নষ্ট হয়ে যাওয়াতে তিনি ক্লাসিক কলেজে দান করে দেন। পরবর্তীতে ঠিক করার সময় টেকনিশিয়ান এর মধ্যে শত শত সোনার মুদ্রা খুঁজে পান।যার মূল্য 50 হাজার ইউরো। যার অর্ধেক টেকনিশিয়ান এবং বাকি অর্ধেক কলেজ কর্তৃপক্ষ নেয়।মেকর গ্রাহাম এবং সেই ছেলেটিও একটি স্বর্ণমুদ্রা পেয়েছিল না।

ফ্রিজের দরজা

কিছু পুলিশ কিছু অবৈধ টাকা লুকিয়ে রাখার সংবাদ পেয়ে একটি অ্যাপার্টমেন্টে তললাশি শুরু করে দেয়। তারা বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাতে থাকে কিন্তু তেমন কিছুই খুঁজে পায়নি। কিন্তু একজন পুলিশ হঠাৎ করেই ফ্রিজের দরজা খুলে ফেলে আর ভেতরে যা আছে তা দেখে তার চোখ কপালে উঠে যা। কেননা সেই ফ্রিজের মধ্যে ছিল শত শত টাকার বান্ডেল এবং সোনার গহনা। পরবর্তীতে সে সমস্ত টাকা এবং সোনার গহনা হিসাব করে দেখা যায় সেখানে 400 মিলিয়ন ডলার টাকা এবং স্বর্ণ ছিল।

জেল

আমরা অনেক ভয়াবহ অপরাধ করেও জেলে যেতে চাই না। কারণ জেলে যে শুধুমাত্র জীবনী না সেখানে নানা রকম কাজ করতে হয়।বিভিন্ন রকমের কষ্টকর কাজ করতে হয়। জানলে অবাক হবেন যে এক কয়েদি এই জমি খনন করতে গিয়ে অটোম্যান সাম্রাজ্যের সেইসময়ের প্রচলিত 7000 মুদ্রা বর্তী একটি বাক্স খুঁজে পান। এই বাক্সভর্তি মুদ্রার মূল্য ছিল অনেক। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কয়েদিকে বাক্সভর্তি মুদ্রার একটি মুদ্রাও দেওয়া হয়নি সমস্ত বাক্সভর্তি মুদ্রা গভমেন্ট নিজের করে নেয়।

Leave a Comment