জল্লাদ ফাঁসির আসামির কানে কি বলে?

আপনি কি জানেন সিমেন্ট কি দিয়ে তৈরি করা হয় ?এবং কিভাবে তৈরি করা হয় ?

সিমেন্ট তৈরি করতে ক্যালসিয়াম, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম এবং সিলিকনের একটি Fixed মিশ্রণ তৈরি করা হয় । আর সিমেন্ট তৈরি করার জন্য সিমেন্ট তৈরিকৃত একটি মেশিনের মধ্যে এই কাঁচামাল গুলা সরবরাহ করার মাধ্যমে পাউডারের পরিণত করা হয় । পরবর্তীতে পাউডাটি যখন পানির মধ্যে চালিত করা হয় তখন এগুলো কঠিন অবস্থায় পরিণত হয় । এগুলোকে আমরা সিমেন্ট বলে থাকি ।

ল্যান্ডিং এর সময় প্লেনের ভিতর লাইটগুলো কেন কমানো হয়?

বন্ধুরা আমরা যখন কোন অন্ধকারে স্থান থেকে আলকিত স্থানে যাই তখন সেই আলো আমাদের চোখে এডজাস্ট হতে কিছুটা সময় লাগে । আবার এটা তখনই হয় যখন আমরা আলোকিত জায়গা থেকে অন্ধকার জায়গায় প্রবেশ করি ।প্লেন ল্যান্ডিং এবং টেকআফ করার সময় যখন বিপদজনক মুহুর্তে সৃষ্টি হয় তখন ইমার্জেন্সি লাইট জ্বলে ওঠে । আর যাত্রীরা যাতে করে খুব কম সময়ের মধ্যেই ইমার্জেন্সি লাইট তাদের চোখে এডজাস্ট করার মাধ্যমে সতর্ক হয়ে যেতে পারে তাই প্লেন ল্যান্ডিং এর সময় প্লেন এর মধ্যকার লাইটের উজ্জ্বলতা কমিয়ে দেয়া হয় ।

জল্লাদ ফাঁসির আসামির কানে কি বলে? 

আপনি কি জানেন আমাদের দেশে যখন ফাঁসির আসামীকে ফাঁসি দেয়ার জন্য কাপড় দিয়ে তার মুখ ঢেকে দেয়া হয় তখন সেই জল্লাদ ফাঁসির আসামির কানে কি বলে ? যদি না জেনে থাকেন তবে আমরা জানিয়ে দিচ্ছি । ফাঁসি কার্যকর করার মুহূর্তে জল্লাদ কালো কাপড় দিয়ে ফাঁসির আসামির চোখ মুখ ঢেকে দেয়ার সময় ফাঁসির আসামির কানে কানে বলে, আমি এটা করতে বাধ্য, আমাকে মাফ করে দিও। শুধু তাই না যদি ফাঁসির আসামি হিন্দু হয় তবে আসামির কানে বলা হয় রাম ,রাম আর যদি ফাঁসির আসামি মুসলিম হয়, তবে ফাঁসির আসামির কানে আখেরি সালাম দিয়ে ফাঁসি কার্যকর করা হয়ে থাকে।

আরও পড়ুনঃ কিভাবে দুইটি গ্রহের দূরত্ব নির্ণয় করা হয়?

শিশুর চোখ দিয়ে কোনরকম জল ঝরে না  কেন? 

বন্ধুরা আমরা সবাই জানি যে আমরা যখন কান্না করে থাকি তখন আমাদের গাল দিয়ে টপটপ করে পানি পড়তে থাকে । কিন্তু আমরা মানব জাতি এমন কিছু সময় পার করে আসি যখন আমরা কান্না করলেও আমাদের চোখ দিয়ে কোনরকম জল ঝরে না । আর সেটা হলো যখন কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করেন তাঁর জন্মের দিন থেকে শুরু করে দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত সেই শিশুটি অঝরধারায় কান্না করলেও তার চোখ দিয়ে কোন রকম পানি হতে দেখা যায় না । এর কারণ হলো শিশু জন্মের পর তার লাক্রিমাল গ্লান্ড অর্থাৎ অশ্রুগ্রন্থি সম্পূর্ণ ভাবে বিকশিত হতে পারে না । আর এ কারণেই শিশুর জন্মের দিন থেকে শুরু করে দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত শিশুর কান্না করলেও তার চোখ থেকে কোনরকম জল পড়তে দেখা যায় না ।

মহাবিশ্বের সবথেকে বড় তারা কোনটি? 

আমরা রাতের বেলায় আকাশের দিকে তাকালে লক্ষ কোটি তারা দেখতে পাই। কিন্তু বন্ধুরা আপনি কি জানেন এই মহাবিশ্বের সবথেকে বড় তারা কোনটি? এই মহাবিশ্বের সবথেকে বড় তার নাম হলো vy canis majoris । এবং আরও অবাক করা তথ্য হলো এই সব থেকে বড় তারাটি আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে রয়েছে । এই তারাটি আমাদের সূর্যের তুলনায় দুই হাজার গুণ বড় । এই তারাটি  canomios তারা মণ্ডলের একটি অংশ । আর এই তারামণ্ডলে 32 টি তারা রয়েছে। যার মধ্যে এমন ৪টি তারা রয়েছে যে তারা গুলো কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গ্রহ পর্যায়ক্রমে ঘুরতে থাকে।

মডার্ন  ফিজিক্সে অগ্রগতির মুলে থাকা  ম্যাড্যাম কুরীর কথা আপনি হয়তো শুনে থাকবেন। তাকে তার রেডিওঅ্যাক্টিভ এলিমেন্টের উপর করা পরীক্ষা এবং রেডিয়ামের জন্য সারা বিশ্বে একজন মহান বিজ্ঞানী হিসেবে স্মরণ করা হয়। কিন্তু হয়তো বা আপনি এটা জানেন না যে, তিনি যে রেডিওঅ্যাক্টিভ এলিমেন্টের রিসার্চ করেছিলেন সেই ছিল তাঁর মৃত্যুর কারণ । এটা একটা করুন কাহিনী। তিনি একটি  এপ্লাস্টিক এনিমিয়া নামক রোগে আক্রান্ত হয়ে যান এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর জন্য। যা শেষ পর্যন্ত তার জীবনী কেড়ে নেয়। এই রেডিওঅ্যাক্টিভ রেডিশন তার জামাকাপড়, ফার্নিচার, এমনকি বইপত্র ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিলো। এবং এখন তার মৃত্যুর 100 বছর পরেও তার ব্যবহৃত জিনিসপত্র রেডিওঅ্যাকটিভ রয়ে গিয়েছে । সেগুলো কে একটি লেড বক্সের মধ্যে  আটকে রাখা হয়েছে। এবং আগামী 15শ  বছর পর্যন্ত সে গুলোকে এভাবে রেখে দেয়া হবে। কারণ সেগুলো যদি বের করা হয় তাহলে সেগুলো হতে পারে তার আশেপাশের এলাকার ধ্বংসের কারণ। 

Leave a Comment