বিশ্বের সবচেয়ে দামী ও বিলাসবহুল গাড়ি

বন্ধুরা যানবাহন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে একটি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস। এই গুলো ছাড়া আমরা আমাদের একটা দিনও কল্পনা করতে পারি না। এই গুলো সবই হলো বিজ্ঞান এর অবদান। তরে বিজ্ঞানীরা শুধু এই গুলো আবিষ্কার করেই বসে নেই। তারা প্রতি নিয়ত গবেষনা করে এই গুলোকে করছে আরো বিশয়কর। আজকের এই পোষ্টে এমন কিছু দামী ও বিলাসবহুল গাড়ি সম্পর্কে জানবো।

Hum Rider

এই গাড়িগুলো একটা পাওয়ারফুল হাইড্রোলিক মেকানিজম । যা এই গাড়িটিকে সর্বোচ্চ 10 ফুট পর্যন্ত উচুতে উঠাতে পারে। যখন গাড়িটির কেবিনটি উচুতে থাকে এবং চাকাগুলো নিচের দিকে প্রসারিত হয়, তখন এর পথে থাকা কোনো বাধাই এর কাছে কিছুই না । এমনকি এই গাড়ির ট্রাফিক জ্যামে পড়লে সামনের গাড়িগুলোকে ওভারটেক করে চলে যেতে পারে। মেকানিজম চালু করার জন্য আপনাকে শুধুমাত্র গাড়ির ভেতরে থাকা একটি বাটন প্রেস করতে হবে । গাড়িটিকে এ ধরনের রুপ দিতে ইঞ্জিনিয়ারদের গাড়ি বেস মডেলে কিছু পরিবর্তন আনতে হয়েছে। যেমন কোনো সাধারণ Offroad গাড়ির থেকে এই গাড়ির ওজন দ্বিগুণ বৃদ্ধি করতে হয়েছে। আর এই গাড়ির ওজন ৪ টন এর বেশি। এবং এই ওজন ধরে রাখার জন্য গাড়িতে ব্যবহার করা হয়েছে শক্তিশালী চাকা এবং শক্তিশালী লিফট। এই গাড়িটি তৈরি করেছে ক্যালোফনিয়ার একটি কোম্পানি এবং স্পেশিয়াল ইফেট ইঞ্জিনিয়ারা।

আরও পড়ুনঃ বিশ্বের সবথেকে দ্রুত আর আজব দশটি যানবাহন

টান্সফরমার গাড়ি

2010 সালে ব্রাজিলের সাও পাওলো মোটর শো তে এই কিউমা টান্সফরমার গাড়ি টি প্রথম প্রদর্শনী করা হয়। এই গাড়িটি শুধুমাত্র এক পিচ তৈরি করা হয়েছিল এবং মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান নেয়া এবং সম্পূর্ণভাবে টান্সফরমারে পরিণত হবার পরে গাড়িটি বেশ কয়েকটি ইলেকট্রনিক ভাষায় কথা বলতে পারেন।

klassen limousine

klassen সাধারণত প্রিমিয়াম এবং লাক্সারি গাড়ি তৈরি করা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান । এখানে high-level সার্ভিস এবং Great sell এক্সপেরিয়েন্স কাস্টমারদের কে গাড়ি ক্রয় বিক্রয় করার সময় Maximum Comfort দিয়ে থাকে। 2001 সালে যখন সর্বপ্রথম klassen এ ধরনের গাড়ি বাজারে আনে তখন থেকেই কোম্পানি তার কাস্টমারদেরকে গাড়ি এক অন্যমাএ তে ব্যবহার করার সুযোগ দিয়ে আসছে। বর্তমানে এর মাইক্রোবাস এবং মিনি বাস সার্ভিসও রয়েছে ।

লিমোজিন মিনি বাস

এখন আপনারা দেখছেন লিমোজিন এর অন্যতম একটি সেরা গাড়ি । সাধারণভাবে একে দেখতে অন্যসব অর্ডিনারি মাইক্রোবাসের মতই লাগে । কিন্তু আপনি চাইলে এটি মিনি লিমো গাড়িতে পরিণত করতে পারবেন।গাড়ির ভিতরে দেখলে আপনার কাছে এটা কোন ভাবেই গাড়ি মনে হবেনা । এর ভেতরে রয়েছে মেসেজেস সিট, মিনি বার, ইলেকট্রিক টেবিল, এলইডি টিভ্‌ 5.1 সাউন্ড সিস্টেম ছাড়াও আরো অনেক কিছু ।

ইলেকট্রিক গাড়ি

এর বৈদ্যতিক গাড়িটি 31 মাইল পার আওয়ার গতিতে একটানা ৬৮ থেকে 75 মাইল পর্যন্ত পাড়ি দিতে পারে ।গাড়িটির মূল আকর্ষণ হলো তার চারটি মোটরের চাকা। যা ৩৬০ ডিগ্রিতে ঘুড়তে পারে। গাড়িটি কয়েক সেকেন্ড এর মধ্যে ৯ ফিট থেকে ৫ ফিটে পরিনত হতে পারে।

Beauer 3x

প্রথমত এটা একটা চার চাকা বিশিষ্ট সাধারণ গাড়ি। তবে এই গাড়ির একটা বিশেষত্ব আছে। গাড়িটি একটি বাড়িতে নিজে নিজেই পরিণত হতে পারে এবং এজন্য আপনাকে গাড়ির বাইরে থাকা একটা বাটন প্রেস করতে হবে এবং বাটনটি প্রেস করার পর এই গাড়িটির ম্যাজিক্যাল ট্রানসফর্মেশন শুরু হবে। এই beauer 3x এর মূল সাইজের থেকে তিনগুণ বড় হতে পারে এবং এটা সম্ভব হয় তার সাইডে থাকা দুটি সেকশনের কারণে।এই সম্পূর্ণ Process সম্পন্ন হতে এক মিনিট সময় প্রয়োজন হয় না এবং এই সময়ের মধ্যে আপনি গাড়িটি আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারবেন।

Aeromobil 3.0

এটি একটি ফ্লাইং কার এর প্রোটোটাইপ। যার নাম দেয়া হয়েছে Aeromobil 3.0. 2014 সালের গাড়িটি প্রথম প্রদর্শনী করা হয় । গাড়িটির ভেতরে দেখলে আপনারা এটাকে বিমানই মনে হবে। কারণ এর ভেতরের সবকিছু দেখতে একটু সাধারন বিমানের মতোই। গাড়িটির ওজন প্রায় ৬০০ কেজি। গাড়িটিতে ব্যবহার করা হয়েছে 4 cylinder engine লিকুইড এবং এয়ার কুইড ইঞ্জিন। গাড়িটি সম্পূর্ণভাবে Gasoline দ্বারা চালিত হয় । এবং এই গাড়ি সর্বোচ্চ 200 কিলোমিটার পার আওয়ার স্পিডে আকাশে এবং 160 কিলোমিটার পার আওয়ার স্পিডে মাটিতে চলতে পারে।

Leave a Comment